সোনারগাঁয়ে ফার্মেসিতে চুরি হওয়ার এক সপ্তাহ পরও তদন্তে যায়নি পুলিশ
ভুক্তভোগী মো. জাহিদ হাসান (৩৬) জানান, চেঙ্গাইন এলাকায় রাস্তার পাশে অবস্থিত তার “জাহিদ ফার্মেসি” নামের ওষুধের দোকানে ব্যবসা করেন। ওষুধ বিক্রির পাশাপাশি সেখানে বিকাশ ও নগদ এজেন্ট হিসেবেও আর্থিক লেনদেন পরিচালনা করতেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি জানান, গত ১ এপ্রিল সন্ধ্যা আনুমানিক ৬টার দিকে মাগরিবের নামাজ আদায়ের জন্য দোকানের শাটার নামিয়ে পাশের মসজিদে যান। প্রায় ২০ মিনিট পর ফিরে এসে দেখেন, অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা দোকানে ঢুকে ক্যাশবাক্সের তালা ভেঙে নগদ ২ লাখ টাকা নিয়ে গেছে। এ ছাড়া দোকান থেকে ৫টি মোবাইল ফোন চুরি হয়ে যায়, যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ১ লাখ ৩৪ হাজার টাকা। ভুক্তভোগীর অভিযোগ, চুরি হওয়া মোবাইল ব্যবহার করে তার বিকাশ এজেন্ট নম্বর থেকেও টাকা উত্তোলন করা হয়েছে। একই দিন সন্ধ্যা ৭টা ৯ মিনিটে একটি ব্যক্তিগত বিকাশ নম্বরে ২৫ হাজার টাকা এবং ৭টা ১০ মিনিটে আরেকটি নম্বরে ১৯ হাজার ৫০০ টাকা ক্যাশইন করা হয়।
ঘটনার বিষয়ে ভুক্তভোগী মো. জাহিদ হাসান সোনারগাঁও থানায় লিখিত অভিযোগ করেন। তবে চুরির ঘটনার ৭ দিন পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত দৃশ্যমান কোনো তদন্ত কার্যক্রম বা অগ্রগতি হয়নি বলে দাবি তার।
এ বিষয়ে তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত সোনারগাঁ থানার এসআই ইমরান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি। আমি একটি মামলার সাক্ষী দিতে অন্য জেলায় এসেছি। থানায় এসেই আগে এটির তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
This theme has been developed by OURISLABD.