যুবদল নেতা আনু হত্যা মামলা: রাসেলসহ ৮ আসামিকে অব্যাহতির সুপারিশ
![]() |
তদন্ত প্রতিবেদন অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ২৬ আগস্ট ভোরে নিজ ফ্ল্যাট থেকে বের হওয়ার পর নির্মাণাধীন হেলেনা কটেজ ভবনের নবম তলায় লিফটের জন্য নির্ধারিত একটি অনিরাপদ ও ফাঁকা জায়গা দিয়ে নিচে পড়ে মারা যান আনোয়ার হোসেন।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই নারায়ণগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের পরিদর্শক মো. আব্দুল বাতেন মিয়া। তদন্তে পাওয়া তথ্য, সাক্ষীদের বক্তব্য এবং ময়নাতদন্ত ও ভিসেরা প্রতিবেদন পর্যালোচনা করে তিনি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন।
প্রতিবেদনে বলা হয়, আনোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর তাঁর বড় ভাই ও মামলার বাদী হাজী আবুল কাশেম বাদশা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েন। ভাইয়ের মরদেহে আঘাতের চিহ্ন দেখে তাঁর মনে হত্যার ধারণা তৈরি হয়। এরপর তিনি ফতুল্লা থানায় হত্যা মামলা করেন। তবে তদন্তে মৃত্যুর পেছনে হত্যাকাণ্ডের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলা থেকে অব্যাহতির সুপারিশ করা আট আসামি হলেন রাসেল মাহমুদ (৩৪), পাপিয়া আক্তার পান্না (৪১), জান্নাত আরা জাহান প্রেরণা (২৩), সারিদ হোসেন (২২), নূর আলম ওরফে মোহাম্মদ নুরুল আলম (৪৭), কাজল (৩৪), রোকসানা আক্তার ওরফে পুতুল (৪৭) এবং গোল মোহাম্মদ (৬১)।
পিবিআইয়ের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, আসামিদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৩০২, ২০১ ও ৩৪ ধারায় অপরাধের প্রমাণ পাওয়া যায়নি। পিবিআই সদর দপ্তরের অনুমোদন সাপেক্ষে আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করা হয়েছে।
